My Blog My World

Collection of Online Publications

যৌথ বাণিজ্য কমিশনের বৈঠক : মিয়ানমারের কাছে ব্যাংকিং ও ভিসা সুবিধা সম্প্রসারণ চাইবে বাংলাদেশ

(The report has been published at the Daily Kaler Kantho on 20 September, 2010)

মেহেদী হাসান
ঢাকায় আগামী বুধবার শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী বাংলাদেশ-মিয়ানমার যৌথ বাণিজ্য কমিশনের চতুর্থ বৈঠক। এতে বাংলাদেশ মিয়ানমারের কাছে ব্যাংকিং ও ভিসা সুবিধা সম্প্রসারণ করার দাবি জানাবে। আলোচনা হবে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ইস্যুতে।
বাণিজ্য সচিব গোলাম হোসেন গতকাল রবিবার কালের কণ্ঠকে জানান, বৈঠকে তিনি বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেবেন। মিয়ানমারের পক্ষে নেতৃত্ব দেবেন দেশটির বাণিজ্য সচিব অং তুন। পররাষ্ট্র, বাণিজ্য ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পদস্থ কর্মকর্তারা বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (এফটিএ) ড. এম রুহুল আমিন সরকার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘যৌথ বাণিজ্য কমিশনের বৈঠক হবে ব্যবসা-বাণিজ্যকেন্দ্রিক। দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যসংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা এতে যোগ দেবেন। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ব্যবসা-বাণিজ্যসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ইস্যু যেমন ব্যবসায়ীদের জন্য ভিসা, সরাসরি ঋণপত্র (এলসি) চালু, সীমান্ত বাণিজ্য, কৃষিকাজে সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয় তোলা। এ ছাড়া বিদ্যুৎ ঘাটতি মোকাবিলায় মিয়ানমার থেকে বিদ্যুৎ আনার বিষয়েও আলোচনা হতে পারে।’
তিনি জানান, বাংলাদেশের ওষুধ মিয়ানমারে রপ্তানির ব্যাপারে একটি সমঝোতা স্মারক সইয়ের চেষ্টা চালানো হবে। এ ব্যাপারে ইতিবাচক সাড়া পেলে মিয়ানমারের প্রতিনিধিদলকে দু-একটি ওষুধ কারখানা পরিদর্শন করতেও নিয়ে যাওয়া হতে পারে। এ ছাড়া আগামী বৃহস্পতিবার ঢাকায় মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্সের সঙ্গেও প্রতিনিধিদলের আলোচনার কথা রয়েছে।
জানা গেছে, বাণিজ্য সচিবের নেতৃত্বে বৈঠকে মিয়ানমারকে বাংলাদেশ থেকে আমদানি বাড়ানোর অনুরোধ জানানো হবে। বর্তমানে দুই দেশের ব্যাংকগুলোর মধ্যে সরাসরি ঋণপত্র খোলার সুযোগ না থাকায় উভয় দেশের আমদানি-রপ্তানিকারকদের সমস্যায় পড়তে হয়। এ ছাড়া মিয়ানমার ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্সের সদস্য নয় এবং দেশটি তার বৈদেশিক লেনদেন সম্পর্কিত বিধিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করে। ১৯৭৩ সালের ‘জেনারেল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট’ এবং ১৯৯৪ সালের ‘বর্ডার ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট’-এর আওতায় বাংলাদেশ-মিয়ানমার বাণিজ্য চলছে।
বর্তমানে মিয়ানমার দূতাবাস থেকে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের মাত্র ১৪ দিনের ভিসা দেওয়া হয় এবং তা নিয়ে কেবল বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মংডু প্রদেশ পর্যন্ত যাওয়া যায়। এ ছাড়া যে ‘বর্ডার পাস’ ইস্যু করা হয়, তা নিয়ে মংডুর বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। তাই বৈঠকে ব্যবসায়ীদের জন্য ভিসা সুবিধা সম্প্রসারণের বিষয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জোর দেওয়া হবে।

Advertisements

September 20, 2010 - Posted by | Uncategorized | ,

No comments yet.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: